🏢 আমাদের পরিচয়
7a77 শুধু একটা ওয়েবসাইট নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষো খেলোয়াড়ের বিনোদনের ঠিকানা। ক্রিকেট বেটিং থেকে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট থেকে লটারি — সব এক জায়গায়, বাংলায়, বিকাশ-নগদে।
২০১৯ সালে একটা ছোট দলের হাত ধরে 7a77-এর যাত্রা শুরু। সেই সময় বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলো বেশিরভাগই ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং বাংলাদেশের ব্যবহারকারীর কথা মাথায় না রেখে তৈরি। একজন বাংলাদেশি ক্রিকেট প্রেমী যখন লাইভ ম্যাচে বেটিং করতে চান, তখন পেমেন্ট গেটওয়েতে গিয়ে হোঁচট খান — বিকাশ নেই, নগদ নেই, ইন্টারফেস বাংলায় নেই।
7a77 সেই শূন্যতা পূরণ করতে এসেছে। শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল — একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেটা বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকার অর্থে ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলা ইন্টারফেস, বিকাশ-নগদ পেমেন্ট, বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ক্রিকেট ম্যাচের কভারেজ — এই তিনটা জিনিস প্রথম দিন থেকেই ছিল।
২০২০ সালে করোনার সময় যখন অনেক মানুষ ঘরে বসে বিনোদন খুঁজছিলেন, 7a77-এর ব্যবহারকারী সংখ্যা হঠাৎ বাড়তে শুরু করে। সেই বছর প্ল্যাটফর্মে লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ যুক্ত হয় এবং বাংলাভাষী ডিলারদের সঙ্গে অ্যান্ডার-বাহার, তিন পাত্তি খেলার সুযোগ তৈরি হয়। সেটা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কাছে দারুণ সাড়া ফেলে।
২০২১ থেকে 7a77 মোবাইল অ্যাপে মনোযোগ দেয়। বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী দ্রুত বাড়ছিল, কিন্তু মোবাইলে ভালো গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়া কঠিন ছিল। 7a77 অ্যাপ আনলার পর থেকে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা মোট সদস্যের ৭০%-এর উপরে চলে যায়। ছোট স্ক্রিনে মসৃণ গেমপ্লে, পুশ নোটিফিকেশন, বায়োমেট্রিক লগইন — এই সুবিধাগুলো মানুষ অনেক পছন্দ করেছে।
২০২৩ সালে 7a77 ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু হয়। নিয়মিত খেলোয়াড়রা যে বিশেষ মনোযোগ ও সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, সেটা নিশ্চিত করার জন্য Silver থেকে Diamond পর্যন্ত চারটি স্তর তৈরি হয়। সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার এবং এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট — এই কার্যক্রম বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের একজন সাধারণ মানুষ, যিনি স্মার্টফোনে ক্রিকেট দেখেন এবং মাঝে মাঝে একটু বেটিং করতে চান — তিনি যেন কোনো ঝামেলা ছাড়া, নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে সেটা করতে পারেন।
— 7a77 প্রতিষ্ঠাতা দলের বার্তাআজ 7a77-এ ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতিদিন গড়ে ১৬,০০০ জনের বেশি মানুষ একসাথে অনলাইনে থাকেন। স্পোর্টস বেটিং, লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, লটারি — সব বিভাগ মিলিয়ে ২,০০০-এর বেশি গেম পাওয়া যায়। প্রতি মাসে কোটি টাকার উপরে পুরস্কার বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কাছে পৌঁছে যায়।
7a77-এর প্রতিটা সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা। নতুন ফিচার আসার আগে হাজার হাজার ব্যবহারকারীর ফিডব্যাক নেওয়া হয়। সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে। পেমেন্ট টিম নিশ্চিত করে যেন কেউ জিতলে তার টাকা দ্রুত হাতে পৌঁছায়। এটাই 7a77-এর দর্শন — গেমিং যেন বাধা নয়, আনন্দের অভিজ্ঞতা হয়।
বাংলাদেশের গেমিং বাজারে 7a77 যা নিয়ে এসেছে
মেনু, গেম বিবরণ, সাপোর্ট চ্যাট — সব বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে প্রতিটা শব্দ বেছে নেওয়া হয়েছে।
7a77 অ্যাপ বাংলাদেশের সাধারণ স্মার্টফোনেও মসৃণভাবে চলে। মাত্র ২৮ MB, Android 7+ সাপোর্ট — পুরনো ফোনেও সমান অভিজ্ঞতা।
বিকাশ, নগদ, রকেট — বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় ডিপোজিট ও উইথড্র। ব্যাংক ট্রান্সফারও সাপোর্ট করে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতিটা ম্যাচ, IPL, বিশ্বকাপ — সব লাইভ কভার হয়। বাংলাদেশি সময়ে রিয়েল-টাইম অডস আপডেট হয়।
SSL-256 এনক্রিপশন, দুই ধাপের যাচাই, স্বয়ংক্রিয় জালিয়াতি শনাক্তকরণ — প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত। আপনার অ্যাকাউন্ট আপনারই।
দিনে বা রাতে, যেকোনো সমস্যায় লাইভ চ্যাটে বাংলায় সাহায্য পাবেন। গড় প্রতিক্রিয়া সময় মাত্র ৯০ সেকেন্ড।
ছোট একটা স্বপ্ন থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্ল্যাটফর্মে
স্পোর্টস বেটিং ও বাংলা ইন্টারফেস নিয়ে যাত্রা শুরু। বিকাশে পেমেন্টের সুবিধা প্রথম দিন থেকেই।
বাংলাভাষী ডিলারদের সাথে লাইভ অ্যান্ডার-বাহার, তিন পাত্তি ও বাকারা চালু হয়। খেলোয়াড় সংখ্যা ১০ গুণ বাড়ে।
Android ও iOS-এ আলাদা অ্যাপ। বায়োমেট্রিক লগইন ও পুশ নোটিফিকেশন প্রথমবার চালু।
প্রথম মাইলফলক। লটারি বিভাগ যোগ হয়। নগদ পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন সম্পন্ন।
Silver, Gold, Platinum, Diamond — চার স্তরের ভিআইপি কার্যক্রম। শর্তমুক্ত সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক চালু।
২,০০০+ গেম, ৪টি ভিআইপি স্তর, প্রতিদিন ১৬,০০০+ অনলাইন ব্যবহারকারী। লক্ষ্য — বাংলাদেশের এক নম্বর গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
যে নীতিগুলো 7a77-কে পরিচালিত করে
প্রতিটা সিদ্ধান্তে প্রশ্ন করা হয় — এটা কি খেলোয়াড়ের জন্য ভালো? ফিচার, নীতি, পেমেন্ট সময় — সব জায়গায় এই প্রশ্নটা কেন্দ্রে থাকে।
গেমের অডস, বোনাসের শর্ত, পেমেন্ট নীতি — সব কিছু স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। ছোট অক্ষরে লুকানো শর্ত 7a77-এ নেই।
7a77 বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। খরচের সীমা, স্ব-বর্জন, বিরতি টুলস — সব কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
বাজারে যা নেই তা আনার চেষ্টা করে 7a77। বাংলা ইন্টারফেস, মোবাইল অ্যাপ, বিকাশ পেমেন্ট — এগুলো 7a77-ই প্রথম এনেছিল বাংলাদেশে।
ঈদের বিশেষ অফার, বাংলাদেশ ক্রিকেট ম্যাচের লাইভ কভারেজ, রমজান মাসের আলাদা কার্যক্রম — এগুলো 7a77-এর বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক চিন্তার প্রমাণ।
যারা 7a77-কে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যান
১২ বছরের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের বাজারে ডিজিটাল গেমিং সম্প্রসারণে পথিকৃৎ।
মোবাইল অ্যাপ আর্কিটেকচার বিশেষজ্ঞ। 7a77 অ্যাপের মূল ডিজাইনার।
পেমেন্ট সিস্টেম ও গ্রাহক সেবার দায়িত্বে। বিকাশ ইন্টিগ্রেশনের পেছনে তার নেতৃত্ব।
৫০ জনের সাপোর্ট দল পরিচালনা করেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি স্কোর ৯৬% ধরে রাখার কৃতিত্ব তার।
অনলাইনে গেমিং প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়ার সময় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো — এই প্ল্যাটফর্ম কি বিশ্বাসযোগ্য? টাকা দিলে ফেরত পাব তো? 7a77 এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে এবং উত্তর দিয়েছে কাজের মাধ্যমে।
7a77 আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে কাজ করে। এই লাইসেন্স পাওয়া মানে হলো পর্দার আড়ালে অনেক কিছু যাচাই হয়েছে — আর্থিক স্বচ্ছতা, গেমের ন্যায্যতা, পেমেন্ট পদ্ধতির বৈধতা। নিয়মিতভাবে তৃতীয় পক্ষের অডিট হয় এবং RNG (Random Number Generator) সার্টিফিকেশন নবায়ন করা হয়।
২০১৯ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত 7a77 কখনো কোনো খেলোয়াড়ের বৈধ জয়ের টাকা আটকে রাখেনি। এটা ছোট দাবি নয়। অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে পেমেন্ট বিরোধ খুবই সাধারণ ঘটনা। 7a77-এ বিরোধ নিষ্পত্তির একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া আছে — যেকোনো অভিযোগ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পর্যালোচনা করা হয় এবং সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে জানানো হয়।
দায়িত্বশীল গেমিং 7a77-এর মূল নীতির একটা। কেউ যদি মনে করেন তিনি অতিরিক্ত খেলছেন, তাহলে নিজেই অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে দৈনিক/সাপ্তাহিক খরচের সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন। স্ব-বর্জনের সুবিধা আছে — যেখানে ৬ মাস বা ১ বছরের জন্য নিজেকে প্ল্যাটফর্ম থেকে দূরে রাখা যায়। এই টুলগুলো কেউ ব্যবহার করলে 7a77 কোনো প্রশ্ন করে না — বরং সহায়তা করে।
7a77-এর সাপোর্ট দল ৫০ জনের বেশি। এরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ, বাংলায় কথা বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বোঝেন। রাত ৩টায় কেউ পেমেন্ট সমস্যায় পড়লেও লাইভ চ্যাটে কাউকে পাবেন — এটা ছোট কথা নয়, এটা 7a77-এর প্রতিশ্রুতি।
৫ লক্ষের উপরে মানুষ 7a77-কে বেছে নিয়েছেন — এটাই সবচেয়ে বড় বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ। কোনো প্ল্যাটফর্ম যদি মানুষকে প্রতারণা করে, সে দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। 7a77 ২০১৯ থেকে আছে, প্রতি বছর সদস্য সংখ্যা বেড়েছে — এটা দেখায় যে মানুষ বিশ্বাস করে এখানে থেকে যাচ্ছেন।
7a77 সম্পর্কে যা অনেকে জানতে চান
🚀 এখনই শুরু করুন
নিবন্ধন মাত্র ৩০ সেকেন্ড। প্রথম ডিপোজিটে ওয়েলকাম বোনাস। বিকাশ-নগদে পেমেন্ট।